How to get backlinks easily

সাইট তৈরি করার পর প্রথমে যে প্রশ্নটা মাথায় আসে সেটা হলো কিভাবে ব্যাকলিংক করবো, কোথায় করবো, আমার তো অভিজ্ঞতা নেই আমি কি পারবো? বেসিক বিষয় নিয়ে, নতুদের জন্য, ব্যাকলিংক করতে ভয় পান তাদের জন্য লিখা, লিখার মাধ্যমে চেষ্ঠা করেছি বিষয়গুলো সহজভাবে ফুটিয়ে তোলার, আশা করি বুঝতে পারবেন । চাইলে এক কাপ চা পান করতে করতে পড়তে পারেন, আশা করি ভাল লাগবে:

ওয়েব ২.০ ব্যাকলিংকঃ

ওয়েব ২.০ বেসিক ব্যাকলিংক হিসেবে ভালো কাজ করে । এক্ষেত্রে শুরুতে টপ লেভেল ৫-১০ টি করা যেতে পারে তবে শুরুতে সবগুলো আমার মানি সাইটে এক সাথে লিংকিং করবো না এগুলো ধাপে ধাপে করবো । ওয়েব ২.০ ব্যাকলিংক এখনো খুব ভালো কাজ করে তবে এক্ষেত্রে কোয়ালিটি মেইন্টেইন করা অত্যন্ত জরুরী । যদি উদাহরণ দেই, প্রত্যেকটা ওয়েব ২.০ সাইটে কোয়ালিটি কনটেন্ট সর্বনিম্ন পাঁচটি তবে যতবেশি দেওয়া যায় ততই লাভ । এবং সাথে মেন্ডটরি পেইজ যেমন এভাউট আস ,কনটাক্ট আস ,প্রাইভেসি পলিসি সাইটের নেগেভিশন এবং ডিজাইন গুরুত্বপূর্ণ । নোট : ধরি আমি একটা ওয়েব ২.০ সাইটে পাঁচটা কন্টেন দিব, তবে সবগুলো আমি এক সাথে পাবলিশ করবো না প্রথমে তিনটা পাবলিশ করবো বাকি দুইটা সিডিউল পোষ্টের মাধ্যমে পাবলিশ করবো সময়টা হতে পারে এক সপ্তাহ বা দুই সপ্তাহ পর এক একটার জন্য | আরও একটা জিনিস করা যেতে পারে নিস রিলেটেড যদি এক্সপায়ার ওয়েব ২.০ পাওয়া যায় তাহলে অবশ্যই আমরা এখান থেকে মানি সাইটে ব্যাকলিংক দিবো তবে এক্সপায়ার ওয়েব ২.০ এর ব্যাকলিংক প্রোফাইল ভাল করে দেখে নিবেন । এক্সপায়ার ওয়েব ২.০ এখনো খুব ভালো কাজ করে । আমরা মানি সাইটের জন্য নতুন যে ওয়েব ২.০ গুলো তৈরি করবো এক্ষেত্রে আমরা আরও একটা জিনিস এ্যাপ্লাই করতে পারি যেমন টায়ার ২ এবং টায়ার ৩ ব্যাকলিংক তৈরি করে নিতে পারি । তবে অবশ্যই মনে রাখা উচিত টায়ার ২ এবং টায়ার ৩ কোয়ালিটি যেন ভালো হয় । কারণ আপনার এই ব্যাকলিংকগুলোই আপনার মানি সাইটের জন্য তৈরি করা ওয়েব ২.০ তে লিংক জুস পাস করবে এবং এই ওয়েব ২.০ ই আপনার মানি সাইটে লিংক জুস পাস করবে সুতরাং বুঝাই যাচ্ছে প্রত্যেকটা স্টেপে যদি কোয়ালিটি মেইন্টেইন করা যায় ওয়েব ২.০ দিয়েই অনেক কীওয়ার্ড রেংক করানো সম্ভব । টায়ার ২ এবং টায়ার ৩ ব্যাকলিংক কেন দরকার? এর কারন নতুন মানি সাইটের জন্য তৈরি করার ফ্রেশ ওয়েব ২.০ সাইটে কিন্তু কোন ব্যাকলিংকই থাকে না, যদি ব্যাকলিংকই না থাকে তাহলে মানি সাইটের জন্য লিংক জুস পাস করবে কোথায় হতে, তার নিজেরই তো কোন পাওয়ায় নেই ।

প্রোফাইল ব্যাকলিংকঃ

ব্যাসিক ব্যাকলিংক হিসেবে প্রোফাইল ব্যাকলিংকও ভালো কাজ করে তবে তা নির্ভর করে আপনি কতটুকু কোয়ালিটি মেইন্টেইন করে এসব প্রোফাইল ব্যাকলিংক তৈরি করবেন এক্ষেত্রে আমরা উদাহরণ দিতে পারি – www.about.me প্রোফাইল ব্যাকলিংক এর ক্ষেত্রে প্রোফাইল কম্পিলিট করার জন্য যেমন ইমেজ, বায়ো বা এভাউট মি , ইমেজ এবং অন্যান্য যে রিকোয়ারমেন্টগুলো থাকে তা অবশ্যই পূরণ করতে হবে এবং যদি এসব প্রোফাইল ব্যাকলিংক ওয়েবসাইটগুলোতে একশো বা দেড়শো ওয়ার্ডের কনটেন্ট দেবার সুযোগ থাকে তাহলে অবশ্যই দেওয়া উচিত কারন দিন শেষে কোয়ালিটি আপনার পক্ষে কথা বলবে ।

ভিডিও ব্যাকলিংকঃ

ভিডিও ব্যাকলিংকও বেসিক ব্যাকলিংক হিসেবে ভালো কাজ করে ,এক্ষেত্রে আমরা যা করতে পারি যেমন Youtube.com , Dailymotion.com and Vimeo.com তে ভিডিও আপলোড করার মাধ্যমে ব্যাকলিংক নিতে পারবো, এটা দুইভাবে নেওয়া যেতে পারে যেমন: ১. এসব সাইটে প্রোফাইল কম্পিলিট করার মাধ্যমে, আরেকটা হলো ভিডিও আপলোড করে মেটা ডিস্কিপশন থেকে তবে মেটা ডিস্কিপশন থেকে ব্যাকলিংক নেবার সময় অবশ্যই কোয়ালিটি সম্পন্ন মেটা ডিস্কিপশন দিতে হবে, সাথে আপনার লিংকও বসিয়ে দিলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারের মাধ্যমে ব্যাকলিংক:

আমরা সবাই জানি একটা সাইটের জন্য সোশ্যাল সিগনাল কতটা গুরুত্বপূর্ণ অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ারের মাধ্যমে আমরা মানি সাইটের জন্য ব্যাকলিংক করতে পারি | সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারের মাধ্যমে ব্যাকলিংকের একটা যদি বড় উদাহরণ দেই এটা হতে পারে পিনটারেস্ট ,পিনটারেস্টে কনটেন্ট শেয়ার করার দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে যেমন #এক, আপনার মানি সাইটের জন্য ট্রাফিকের ভালো উৎস হতে পারে #দুই আপনার বোর্ডগুলো যদি ভালো ভাবে সাজাতে পারেন এবং অল্প পরিমাণ যদি ফলোয়ার থাকে তাহলে আপনার বোর্ডের পিন বা কনটেন্ট আপনার ফলোয়ার দ্বারা শেয়ার হবার প্রবল সম্ভবনা থাকে । এতে করে দেখা যায় আপনার ওয়েবসাইটের সোশ্যাল সিগনালের পাশাপাশি আপনার বোর্ড গুলোর যারা ফলোয়ার করে তাদের মাধ্যমে ব্যাকলিংক জেনারেট হওয়ার সম্ভাবনা আাছে ।

নিচের স্কীন শর্ট দেখতে পারেন নিচের যত ব্যাকলিংক দেখছি সবই ফলোয়ারদের নেচ্যারেল শেয়ারের কারনে হয়েছে:



কমেন্টস্ এর মাধ্যমে ব্যাকলিংক:

কমেন্টস এর মাধ্যমে ব্যাকলিংক খুবই ভালো একটা মাধ্যম ,তবে মনে রাখতে হবে যেখানে কমেন্টস্ করবো ওই কনটেন্ট এর কোয়ালিটি এবং ইউজার এ্যাংগেজমেন্ট কেমন । আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এখন আর সেই দিন নেই কমেন্ট এ গিয়ে লিখে আসবো “ইউর আর্টিকেল ইজ নাইস” এইটা সাধারণ ও নিম্নমানের কমেন্টস্ । আপনার আগে কনটেন্টের বিষয়বস্তু বুঝতে হবে এবং সে অনুযায়ী আপনি ৫০ থেকে ১০০ ওয়ার্ডের একটি সামারী কমেন্টস্ করতে পারেন । এটা করার একটা সুবিধা আছে যেমন ধরেন একজন লিখে দিয়ে আসলো “ইউর আর্টিকেল ইজ নাইস” আর আপনি লিখলেন ৫০-১০০ ওয়ার্ডের একটি বিস্তারিত কমেন্টস ,এখন চিন্তা করুন কার কমেন্টস টা এ্যাপ্রুভ করবে সাইটে । অবশ্যই আপনার কমেন্টসটিই পাবলিশ হবে ।

কটেন্ট শেয়ারের মাধ্যমে ব্যাকলিংক:

অনেক সোশ্যাল সাইটগুলো থেকে কনটেন্ট শেয়ারের মাধ্যমেও ব্যাকলিংক নেওয়া যেতে পারে তবে এ জায়গায় মনে রাখতে হবে আপনার কনটেন্ট এর কোয়ালিটি যেন ভালো হয়, না হলে আপনার একাউন্ট সাসপেন্ট হবার সম্ভবনা আছে । প্রত্যেকটা ব্যাকলিংক প্রসেসের মুল কথা হলো কোয়ালিটি কনটেন্ট এবং সেখান থেকে মানি সাইটের জন্য ব্যাকলিংক নিয়ে আসা কনটেন্ট শেয়ারের মাধ্যমে ব্যাকলিংকের উদাহরণ হিসেবে আমরা linkedin, medium.com এর উদাহরণ দিতে পারি তবে আপনি যদি গুগলে খুজেন এ ধরনের আরও অনেক সাইট পাবেন যেখানে আপনি কনটেন্ট পাবলিশ করার মাধ্যমে আপনার মানি সাইটের জন্য ব্যাকলিংক আনতে পারেন ।

অথরিটি ব্যাকলিংক :

অথরিটি ব্যাকলিংক এর সংজ্ঞা বা ডিপিনেশন একেক জনের কাছে একেক রকম তবে সহজভাবে যদি বলা যায় যে সাইটের পিএ ডিএ ভালো প্রতিমাসে প্রচুর ট্রাফিক আছে ইউজার এবং সোশ্যাল এংগেজমেন্ট ভালো এ ধরনের সাইট থেকে যদি ব্যাকলিংক নেওয়া যায় তাহলে আমরা এগুলোকে অথরিটি ব্যাকলিংক বলতে পারি যেমন – patch.com huffington post , তবে অথরিটি সাইট থেকে ব্যাকলিংক নেওয়া একটু কষ্টসাধ্য ব্যাপার, যদি নিজে করা সম্ভব হয় তাহলে নিজেই করতে পারেন অথবা যারা এই ধরনের সার্ভিস সেল করে তাদের থেকে নিতে পারেন| উপরের অথরিটি সাইটের উদাহরন দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এই ধরনের সাইট ছাড়াও আরও অনেক সাইট আছে যেখান থেকে চেষ্ঠা করলে অথরিটি ব্যাকলিংক নিতে পারবেন |

গেস্ট পোস্ট:

ব্যাকলিংকের মধ্যে গেস্ট পোস্ট মনে হয় একটা কঠিন জিনিস কারণ আপনি যদি অভিজ্ঞ না হন তাহলে গেস্ট পোস্ট করার মাধ্যমে, আপনার মানি সাইটের জন্য ব্যাকলিংক নিয়ে আসা কস্টসাধ্য ব্যাপার তবে এক্ষেত্রে আমরা যা করতে পারি অনেকে এ ধরনের সার্ভিস প্রদান করে যা আমাদের কস্ট অনেকটা কমিয়ে দিতে পারে যারা এ ধরনের সার্ভিস দেয় তাদের সাথে কথা বলে বিভিন্ন বিষয়গুলো জেনে আমরা গেস্ট পোস্টের সার্ভিস নিতে পারি তবে যদি নিজে করা যায় সেটা সবচেয়ে ভালো হয় ।

নিচর সার্চ টার্ম ব্যবহার করে নিজের নিশ সম্পর্কিত গেস্ট পোস্ট করা যায় এমন সাইটগুলো খুঁজে বের করতে পারবো

  • Your Niche “write for us”
  • Your Niche “guest post”
  • Your Niche “guest blogger”
  • Your Niche “writers needed”
  • Your Niche “blog for us”




  • অন্যান্য ব্যাকলিংক:

    নাম্বার – ১: ইনফোগ্রাফি সাবমিট:

    নিজের নিশ সম্পর্কিত বিভিন্ন ইনফোগ্রাফি সাইটে নিজের নিশ সম্পর্কিত ইনফোগ্রাফি সাবমিট করার মাধ্যমে মানি সাইটের জন্য ব্যাকলিংক নিতে পারি । তবে মনে রাখতে হবে যদি সম্ভব হয় যেখানে ইনফোগ্রাফি শেয়ার করবো সেখানে আমার ইনফোগ্রাফিটা নিয়ে অল্প পরিমাণ কনটেন্ট আমি লিখে দিবো । এটা হতে পারে একশো বা দেড়শো ওয়ার্ডের মাঝে । তবে না দিলেও সমস্যা নেই । আমি শুরুতেই বলেছি সবাই ব্যাকলিংক করে যা ম্যানশন করেছি এগুলোই করে তবে আপনি যত কোয়ালিটি মেইন্টেইন করতে পারবেন আপনার ব্যাকলিংকের কোয়ালিটিও সে রকম হবে ।

    নাম্বার – 2 পিডিএফ বা স্লাইড শেয়ার :

    কিছু ভালো মানের পিডিএফ বা স্লাইড শেয়ার সাইটে কোয়ালিটি সম্পন্ন ডক তৈরি করে আমরা ব্যাকলিংক নিতে পারি এটার উদাহরণ হতে পারে slideshare.net

    নাম্বার – ৩: সোশ্যাল বুকমার্কিং :

    অনেকেই বলে সোশ্যাল বুকমার্কিং কাজ করেনা এখন, তবে এর সাথে আমি দ্বিমত পোষণ করছি এটার কারণ হলো আমি আগেও বলেছি আপনি যাই করেন যদি কোয়ালিটি মেইন্টেইন করে করতে পারেন আপনার সব ব্যাকলিংকই কাজ করবে সুতরাং আমরা অল্প কিছু সোশ্যাল বুকমার্কিং করে নিতে পারি তবে অবশ্যই কোয়ালিটি সাইটে ।

    নাম্বার – ৪: Question and Answer Site :

    Question and Answer সাইটগুলোতে নিশ রিলেটেড বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ব্যাকলিংক করা যায় ।তবে মনে রাখতে হবে যে Question করেছে আপনার Answer এর মাধ্যমে যেন উওর পেয়ে যায় বা তার সমস্যার সমাধান হয় | এক্ষেত্রে সুবিধা হলো আমরা জানি যে এসব সাইটগুলোতে প্রচুর পরিমান ভিজিটর থাকে এখন যদি বিভিন্ন প্রশ্নের ভালো সলিউশন দিতে পারি একদিক থেকে যেমন আমরা ব্যাকলিংক পাবো অন্যদিকে এসব সাইট থেকে আপনার মানি সাইটের জন্য ট্রাফিকের একটি ভালো উৎস হতে পারে

    নাম্বার – ৫ : ফোরাম পোস্টিং

    একটু খোজ করলেই আমরা নিশ সম্পর্কিত ভালো মানের ফোরাম খুজে পাবো ইচ্ছা করলে আমরা এসব ফোরাম থেকে ব্যাকলিংক নিতে পারি তবে যে বিষয়গুলো মনে রাখা দরকার যদি কোন ফোরামে কোন একাউন্ট ওপেন করি তা অবশ্যই যেন প্রফাইল ব্যাকলিংকের যে পদ্ধতিটি বলা হয়েছে তা অবশ্যই যেন ফলো করা হয় । অন্যদিকে মনে রাখতে হবে একটি ফোরামে বিভিন্ন ধরনের থ্রেট থাকে তবে আপনি যে থ্রেট থেকে ব্যাকলিংক নিতে চাই তা অবশ্যই যেন আমার নিশ বা কনটেন্ট এর সাথে মিল থাকবে তাহলে আমরা ভালো ফলাফল পাবো । ব্যাকলিংক করার আরও অনেক আডভান্স পদ্ধতি আছে যেমন – Content outreach, Skyscraper ইত্যাদি তবে একদম নতুনদের কথা চিন্তা করে এবং তারা যখন ব্যাকলিংক করার চিন্তা মাথায় আনে তাদের মনে একটা ভয় কাজ করে এই ভয়টা যেন কাজ না করে এজন্যই বেসিক এবং দুই একটা এডভান্স লেভেলের ব্যাকলিংক প্রসেস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে । একটা কথা সবসময় মনে রাখা দরকার উপরে যেসব পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে আপনি যেগুলো মনে করেন আপনার কাছে সবচেয়ে সহজ আপনি সবচেয়ে ভালো পারবেন এগুলোই নিয়ে কাজ করেন ।
    বেসিক এবং সহজ ব্যাকলিংক পদ্ধতি গুলো যদি ঠিকভাবে করতে পারেন তাহলে আপনি দ্রুতই এর ফলাফল পাবেন । তবে কীওয়ার্ড গুগলের প্রথম পেইজে আনা বর্তমান সময়ে সময় সাপেক্ষ ব্যাপার তাই ব্যাকলিংক করেই অস্হির হওয়া যাবে না ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করুন এবং ব্যাংকলিংকগুলোর মুভমেন্ট মনিটরিং করুন । আশা রাখি পরর্বিতে আরও কিছু বেসিক এবং সহজ ব্যাকলিংক পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করবো |
    বাংলায় কন্টেন্ট লিখা ধৈর্য্যর ব্যাপার, যদি লিখাটি ভাল লাগে শেয়ার করতে ভুলবেন না, আপনার মতামত জানিয়ে কমেন্টও করতে পারেন।
    Ictwap Ictwap Ictwap Ictwap

    One comment on “How to get backlinks easily

    Leave a Reply